জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে নারীদের গোপনে ছবি ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে এক শিক্ষার্থীকে আটক করে প্রক্টরিয়াল বডির কাছে হস্তান্তর করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরে তার মুঠোফোনে একাধিক নারীর ছবি ও ভিডিও পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় লিখিত অঙ্গীকারনামা নেওয়ার পর তাকে বিভাগের শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ক্যাম্পাসে গোপনে ভিডিও ধারণের সময় কয়েকজন শিক্ষার্থীর সন্দেহ হলে ওই শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। পরে তার মুঠোফোন পরীক্ষা করে বিভিন্ন নারীর ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।
পরবর্তী সময়ে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে নেওয়া হয়। সেখানে বিষয়টি প্রাথমিকভাবে পর্যালোচনা করে তার কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়। এরপর তাকে বিভাগের শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আজম খান বলেন, প্রাথমিকভাবে তাঁদের কাছে মনে হয়েছে, ছেলেটির মানসিকভাবে কিছুটা সমস্যা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা থাকায় সে অনুযায়ী তাকে বিভাগের শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং কাউন্সেলিংয়ের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে এটিকে একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করে তাকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আবার ঘটলে কিংবা কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কারও অনুমতি ছাড়া গোপনে ছবি ও ভিডিও ধারণ ক্যাম্পাসে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক। এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
kalprakash.com/IM