ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নে কৃষকদের ধান চাষে কীটনাশকের সঠিক ও নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতামূলক নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
এসিআই (ACI) গ্রুপের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় কৃষকদের ধানের রোগবালাই দমন, কীটনাশক প্রয়োগের সঠিক নিয়ম, নির্ধারিত মাত্রা ও সময় সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অতিরিক্ত বা ভুল পদ্ধতিতে কীটনাশক ব্যবহারের ফলে ফসল, মাটি, পানি ও মানবস্বাস্থ্যের ওপর সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কেও সচেতন করা হয়।
কর্মসূচিতে কৃষকদের উদ্দেশে বলা হয়, ধানের জমিতে রোগ বা পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা দিলে কৃষি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী অনুমোদিত কীটনাশক নির্ধারিত মাত্রায় ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার না করে সঠিক সময় ও সঠিক পদ্ধতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি কীটনাশক প্রয়োগের সময় সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়সীমা মেনে ফসল সংগ্রহের পরামর্শ দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানটির সার্বিক আয়োজন করে গোপীনাথপুর ইউনিয়নের সার ও কীটনাশকের ডিলার যুমুর ট্রেডার্স। প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. নজরুল ইসলাম জানান, কৃষকদের আধুনিক ও নিরাপদ কৃষি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন করা এবং সঠিকভাবে কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন ও গুণগত মান বাড়ানোই এ ধরনের উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
তিনি আরও বলেন, কৃষকরা যেন অনুমাননির্ভর হয়ে জমিতে কীটনাশক ব্যবহার না করেন এবং যেকোনো রোগবালাই দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেন—এ বিষয়ে তাঁদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।
এ কর্মসূচিতে স্থানীয় কৃষকরা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে ধানের রোগবালাই দমন, কীটনাশকের মাত্রা, প্রয়োগ পদ্ধতি ও নিরাপদ ব্যবহারের বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য নেন। একই সঙ্গে কৃষকরা মাঠপর্যায়ে এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম নিয়মিত আয়োজনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
kalprakash.com/IM