সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি দুর্নীতি কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তার মতে, ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি কর্মচারীদের বেতন সমন্বয় করা এখন সময়ের দাবি।
শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি। গত ১১ বছরে নতুন পে-স্কেল ঘোষণা না হওয়ায় অনেক কর্মচারী ব্যয় নির্বাহে চাপে রয়েছেন। অন্যদিকে বেসরকারি খাতে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন বৃদ্ধি পেলেও সরকারি খাতে সেই সমন্বয় হয়নি।
তিনি বলেন, আর্থিক সংকট ও অভাব অনেক সময় মানুষকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দিকে ঠেলে দেয়। তাই সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা গেলে দুর্নীতির প্রবণতাও কমে আসবে বলে সরকার আশা করছে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, আয় বাড়লে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হলে দুর্নীতি স্বাভাবিকভাবেই হ্রাস পাবে। কর্মচারীদের ন্যায্য আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও সহায়ক হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, সচিব এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। দেশের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় বাজেট। ‘অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণ: ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে প্রস্তাবিত এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।
কাল প্রকাশ ডেস্ক 




















