মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬ | ১৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৯ সফর, ১৪৪৮ | সকাল ৮:২৭:৫২

বিদ্যুৎ খাতে এখনো দুর্নীতির বোঝা বহন করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

কাল প্রকাশ
প্রকাশ: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ২:১৪
শেয়ার: mail
বিদ্যুৎ খাতে এখনো দুর্নীতির বোঝা বহন করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিগত সরকারের সময়কার দুর্নীতি, চুরি ও অর্থপাচারের প্রভাব এখনো দেশের অর্থনীতিকে বহন করতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি জানিয়েছেন, বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হলেও চলতি অর্থবছরে এ খাতে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে।

শনিবার (৬ জুন) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে যে আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে, তার প্রভাব এখনো পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা যায়নি। তবে সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর ফলে দেশের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব থেকে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে দুর্নীতিমুক্ত করতে সরকারের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা দুর্নীতির চক্র ভাঙতে সময় লাগবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেও নিম্ন আয়ের মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় সরকারের অনুরোধে শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধি কার্যকর করা হয়নি।

তিনি জানান, জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের অংশ হিসেবে অকটেন ও পেট্রোলের দাম বাড়ানো হলেও সাধারণ মানুষের স্বার্থে দ্বিতীয় দফায় ডিজেলের দাম বৃদ্ধি থেকে সরকার সরে এসেছে।

এ সময় ডা. জাহেদ উর রহমান অভিযোগ করেন, অতীতে কিছু প্রভাবশালী গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে দেশের বিদ্যুৎ খাতকে পরিকল্পিতভাবে আমদানিনির্ভর করে তোলা হয়েছিল। সেই নীতির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এখনো দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে বিদ্যমান রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward