শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ | ১ কার্তিক, ১৪৩৩ | ৫ জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | বিকাল ৫:৫৭:৫২
শিরোনাম
● চাটমোহরে গাছ কাটতে গিয়ে প্রাণ গেল দিনমজুরের ● কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের ৮ জনই জবি শিক্ষার্থীর স্বজন ● প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রভাবশালীদের বালু উৎসব, নীরব দর্শকের ভূমিকায় কর্তৃপক্ষ ● বেনাপোলে পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিনসহ ভ্যানচালক আটক ● ‘আমার স্বাভাবিক জীবনটা দুর্বিষহ করে দিয়েছেন’ ● নিজ কলেজ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী ● আখাউড়া স্থলবন্দরে ৭ দিন ছুটি ঘোষণা ● গাজীপুরে ইবনে সিনা ওষুধ কারখানায় আগুন ● দুর্গাপূজায় এবার সর্বোচ্চ আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ● বিশ্ববাজারে ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দামে পৌঁছাল তেল ● চাটমোহরে গাছ কাটতে গিয়ে প্রাণ গেল দিনমজুরের ● কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের ৮ জনই জবি শিক্ষার্থীর স্বজন ● প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রভাবশালীদের বালু উৎসব, নীরব দর্শকের ভূমিকায় কর্তৃপক্ষ ● বেনাপোলে পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিনসহ ভ্যানচালক আটক ● ‘আমার স্বাভাবিক জীবনটা দুর্বিষহ করে দিয়েছেন’ ● নিজ কলেজ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী ● আখাউড়া স্থলবন্দরে ৭ দিন ছুটি ঘোষণা ● গাজীপুরে ইবনে সিনা ওষুধ কারখানায় আগুন ● দুর্গাপূজায় এবার সর্বোচ্চ আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ● বিশ্ববাজারে ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দামে পৌঁছাল তেল

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত নিঃসঙ্গতায়: ইরান

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৭
শেয়ার: mail
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত নিঃসঙ্গতায়: ইরান

ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আকরামিনিয়া বলেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত নিঃসঙ্গতার মুখে পড়েছে। তাঁর দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য শুধু দেশটির সরকারকে উৎখাত করা নয়, বরং ইরানি-ইসলামি সভ্যতাকে ধ্বংস করা।

বুধবার এক বক্তব্যে এসব কথা বলেন ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র।

আকরামিনিয়া বলেন, ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। ইরানের সেনাবাহিনী ঐশী বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক চেতনায় সমৃদ্ধ। এ ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর আদর্শিক ও রাজনৈতিক সংগঠন আধ্যাত্মিক পরিবেশ ও চেতনা গঠনে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে।

সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের আগ্রাসনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, নিজেদের বিজয়ী হিসেবে তুলে ধরতে প্রতিপক্ষ যেসব মিথ্যা বয়ান তৈরি করে, সেগুলো প্রতিহত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সমাজের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।

সামরিক শক্তির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সফট পাওয়ার

আকরামিনিয়া বলেন, বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে সামরিক কৌশল ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় ‘সফট পাওয়ার’ বা কোমল শক্তির ধারণা গুরুত্ব পায়। এটি প্রচলিত সামরিক শক্তির পরিপূরক এবং সেই শক্তিকে আরও কার্যকর করে তোলে। তাই সেনাবাহিনীর সফট পাওয়ার গড়ে তোলাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সম্প্রতি গ্রিসের অ্যাক্রোপলিসে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ইরানের সফট পাওয়ারের ভিত্তি দুর্বল করতে এটি প্রতিপক্ষের চলমান প্রচেষ্টার অংশ।

ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র আগে বলত, তাদের বিরোধিতা কেবল ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে, সভ্য ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে নয়। কিন্তু রুবিওর সাম্প্রতিক বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের সেই অবস্থানের মুখোশ উন্মোচন করেছে এবং দেশটির আধিপত্যবাদী মানসিকতা ও সভ্যতাবিরোধী চরিত্র প্রকাশ করেছে।

তিনি বলেন, বর্তমান যুদ্ধ শুরুর পেছনে মার্কিন শাসকদের লক্ষ্য শুধু ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সরকারকে উৎখাত করা নয়, বরং ইরানি-ইসলামি সভ্যতাকে ধ্বংস করা।

ইরানের জনগণকে ভয় দেখিয়ে আত্মসমর্পণ করানো সম্ভব হয়নি

আকরামিনিয়া আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা মনে করেছিলেন, ইসলামি বিপ্লবের নেতা ও সামরিক কমান্ডারদের শহীদ করার মাধ্যমে ইরানের জনগণকে ভীতসন্ত্রস্ত করে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যাবে।

তবে তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের সচেতন ও সাহসী জনগণ ঐতিহাসিক দৃঢ়তা ও প্রতিরোধের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে বিস্মিত করেছে এবং তাদের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত নিঃসঙ্গতায়: ইরান

বিস্তারিত কমেন্টে