নোয়াখালীর সদর উপজেলায় প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে রবিউল হোসেন (১৯) নামের এক তরুণের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম। এর আগে গত সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার নেওয়াজপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযুক্ত রবিউল হোসেন একই ইউনিয়নের ধন্যপুর গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা জানান, তাঁর মেয়ে একসময় মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। বর্তমানে তার লেখাপড়া বন্ধ রয়েছে। একই বাড়ির রবিউল দীর্ঘদিন ধরে তাঁর মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিল।
তিনি অভিযোগ করেন, গত সোমবার রাতে প্রাকৃতিক প্রয়োজনে ঘরের বাইরে যায় তাঁর মেয়ে। পরে বাথরুম থেকে ঘরে ফেরার সময় রবিউল তাকে রান্নাঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ওই দিন বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পর তাঁর সন্দেহ হলে মেয়ের কাছে বিষয়টি জানতে চান। তখন কিশোরী তাঁকে ধর্ষণের কথা জানায়। পরে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করেন। এরপর অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যরা ঘটনা অস্বীকার করেন এবং উল্টো তাঁদের গালমন্দ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত রবিউল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
সুধারাম থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম আরও বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিশোরী থানায় এসেছে। এ ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করছেন। মামলার প্রক্রিয়া চলছে। কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
kalprakash.com/IM