জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সংগীত বিভাগে এমফিল ও পিএইচডি গবেষণা-সংশ্লিষ্ট চারটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিভাগীয় আয়োজনে তিনটি পিএইচডি গবেষণার সংশ্লিষ্ট সেমিনার এবং একটি এমফিল থেকে পিএইচডিতে রূপান্তর-সংশ্লিষ্ট সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, সংগীত বিভাগ সংগীতের পরিবেশনার দিকের পাশাপাশি গবেষণার ক্ষেত্রেও নিজেদের উৎকর্ষের স্বাক্ষর রাখছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বহির্বিশ্বে প্রচারের ক্ষেত্রে সংগীত বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি সংগীত বিভাগের গবেষক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. অণিমা রায়ের সভাপতিত্বে সেমিনারে চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বজলুর রশীদ খান, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. সিদ্ধার্থ শংকর জোয়ার্দ্দার, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. লাইসা আহমদ লিসা, শাস্ত্রীয় সংগীতের গুণী শিল্পী ড. আলী এফএম রেজোয়ান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ঝুমুর আহমেদের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত সেমিনারে চারজন গবেষক তাঁদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। এর মধ্যে সুবীর চন্দ্র ঘোষের গবেষণাপত্রের বিষয় ছিল ‘রবীন্দ্রনাথের গানে তালবাদ্যের বাদনশৈলী’। নুসরাত জাহান প্রভা উপস্থাপন করেন ‘রবীন্দ্রনাথের সংগীতচিন্তা ও রবীন্দ্রসংগীত: প্রাসঙ্গিকতা ও পরিপ্রেক্ষিত’ শীর্ষক গবেষণাপত্র। নাদিরা সুলতানা উপস্থাপন করেন ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূজার গানে সমন্বয়বাদ’ শীর্ষক গবেষণাপত্র। এছাড়া মো. মাইদুল হক এমফিল-সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্র হিসেবে ‘রবীন্দ্রনাথের বর্ষাপ্রকৃতির গান: বাণী বিশ্লেষণ’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
সেমিনারে নির্ধারিত আলোচক হিসেবে সংগীত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. অণিমা রায় গবেষকদের উপস্থাপিত গবেষণাপত্রের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং তাঁদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া অধ্যাপক ড. লাইসা আহমদ লিসা, ড. আলী এফএম রেজোয়ান, ড. খন্দকার মোন্তাসির হাসান, অধ্যাপক ড. ফজলে এলাহি চৌধুরী এবং কবি সাকিরা পারভীন সুমা গবেষণাপত্রগুলোর ওপর আলোচনা করেন।