বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ | ১২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | রাত ২:৫৮:২৮
শিরোনাম
● এইচএসসি পাসে ২ জেলায় নিয়োগ দেবে অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার ● ঢাকা কর অঞ্চলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, দ্রুত আবেদন করুন ● ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন? ● বাসের হাইড্রোলিক জ্যাকের ভেতর থেকে ৮৬ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার ● রংপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ভাঙচুর, অভিযুক্তসহ গ্রেপ্তার ২ ● যে কারণে বন্ধ হতে পারে হোয়াটসঅ্যাপ-টেলিগ্রাম ● যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা-গ্রিন কার্ড আবেদনে নতুন নিয়ম ● গাজীপুরের সিফাতকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে: নাহিদ ইসলাম ● বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের ● পাকা সেতু না হওয়ায় এলাকাবাসীর প্রতি ডেপুটি স্পিকারের দুঃখ প্রকাশ ● এইচএসসি পাসে ২ জেলায় নিয়োগ দেবে অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার ● ঢাকা কর অঞ্চলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, দ্রুত আবেদন করুন ● ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন? ● বাসের হাইড্রোলিক জ্যাকের ভেতর থেকে ৮৬ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার ● রংপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ভাঙচুর, অভিযুক্তসহ গ্রেপ্তার ২ ● যে কারণে বন্ধ হতে পারে হোয়াটসঅ্যাপ-টেলিগ্রাম ● যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা-গ্রিন কার্ড আবেদনে নতুন নিয়ম ● গাজীপুরের সিফাতকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে: নাহিদ ইসলাম ● বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের ● পাকা সেতু না হওয়ায় এলাকাবাসীর প্রতি ডেপুটি স্পিকারের দুঃখ প্রকাশ

নেপালে দুর্যোগে নিহত অজ্ঞাতদের দাফনে বিশেষ ব্যবস্থা, শনাক্তে জিও-ট্যাগ ও ডিএনএ সংরক্ষণ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩৩
শেয়ার: mail
নেপালে দুর্যোগে নিহত অজ্ঞাতদের দাফনে বিশেষ ব্যবস্থা, শনাক্তে জিও-ট্যাগ ও ডিএনএ সংরক্ষণ

নেপালে সাম্প্রতিক দুর্যোগে নিহত অজ্ঞাত ও দাবিহীন ব্যক্তিদের দাফনে বিশেষ বৈজ্ঞানিক ও সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ভবিষ্যতে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হলে যাতে নির্দিষ্ট মরদেহটি সহজেই শনাক্ত করে কবর থেকে উত্তোলন করা যায়, সেজন্য প্রতিটি মরদেহের জন্য রাখা হচ্ছে আলাদা শনাক্তকরণ নম্বর। একই সঙ্গে প্রতিটি সমাধিস্থলের অবস্থান জিও-ট্যাগিং করা হচ্ছে এবং পুরো দাফন প্রক্রিয়া ভিডিও ও ছবির মাধ্যমে নথিভুক্ত রাখা হচ্ছে।

পরবর্তীতে মরদেহ উত্তোলনের সুবিধার্থে কবরগুলো প্রায় দেড় মিটার গভীর করে খনন করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিটি কবরের মধ্যে ৪০ সেন্টিমিটার দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে, যাতে ডিএনএ পরীক্ষায় পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর অন্য কোনো কবরের সঙ্গে বিভ্রান্তি তৈরি না হয় এবং নির্দিষ্ট মরদেহটি নির্বিঘ্নে উত্তোলন করা সম্ভব হয়।

দাফনের আগে প্রতিটি মরদেহকে একটি নির্দিষ্ট শনাক্তকরণ নম্বরযুক্ত ব্যাগে রাখা হয়। কবর দেওয়ার পর সেখানে একটি কংক্রিটের প্ল্যাটফর্ম ও সাইনবোর্ড স্থাপন করা হচ্ছে। ওই সাইনবোর্ডে সংশ্লিষ্ট মরদেহের শনাক্তকরণ নম্বর স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকছে।

শুধু কবর চিহ্নিতকরণেই সীমাবদ্ধ থাকছে না কর্তৃপক্ষ; প্রতিটি দাফন প্রক্রিয়ার ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সমাধিস্থলের সুনির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান জিও-ট্যাগ করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে পরিচয় নিশ্চিত হলে কবরের সঠিক অবস্থান নিখুঁতভাবে দ্রুত শনাক্ত করা যায়।

দুর্যোগে নিখোঁজ হওয়া স্বজনদের সন্ধানে থাকা ব্যক্তিদের দেশের বিভিন্ন নির্ধারিত হাসপাতালে ডিএনএ নমুনা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এসব নমুনা পরীক্ষার পর নেপালের স্বাস্থ্য বিভাগ তা দাফন করা অজ্ঞাত মরদেহগুলোর সংরক্ষিত ডিএনএ প্রোফাইলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখবে।

ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে কোনো মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হলে সংশ্লিষ্ট শনাক্তকরণ নম্বর বের করা হবে। এরপর পুলিশ তাদের সংরক্ষিত রেকর্ড ও তথ্যের মাধ্যমে ওই নম্বরের বিপরীতে সমাধিস্থলের সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করবে। শেষ ধাপে কবর থেকে নির্দিষ্ট মরদেহটি উত্তোলন করে তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে পরিচয়হীন ও দাবিহীন মরদেহগুলোর বিস্তারিত তথ্য একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে নেপাল পুলিশ। ফলে নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা সেখানে প্রকাশিত তথ্য দেখেও শনাক্তকরণের চেষ্টা করতে পারবেন।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ | Globe kalprakash.com

নেপালে দুর্যোগে নিহত অজ্ঞাতদের দাফনে বিশেষ ব্যবস্থা, শনাক্তে জিও-ট্যাগ ও ডিএনএ সংরক্ষণ

বিস্তারিত কমেন্টে