মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬ | ১৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৯ সফর, ১৪৪৮ | রাত ১:২২:১৪

শেখ হাসিনার পথ অনুসরণ করছেন কেন: জামায়াতকে প্রশ্ন রিজভীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০২
শেয়ার: mail
শেখ হাসিনার পথ অনুসরণ করছেন কেন: জামায়াতকে প্রশ্ন রিজভীর

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

আপনারা শেখ হাসিনার পথ অনুসরণ করছেন কেন বলে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার পথ অনুসরণ করলে তো সেই অন্ধকারেই থেকে গেলাম। এরকম বিভেদ ও বিভাজন চলতে থাকলে শেখ হাসিনা তালি বাজাবেন এবং তিনি প্যারাসুট নিয়ে বাংলাদেশে নামার চেষ্টা করবেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে ‘রক্তঝরা জুলাইয়ে নার্সদের অবদান’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, জুলাই বিপ্লবের একটি গভীর দার্শনিক ভিত্তি রয়েছে, যা আমাদের নাগরিক স্বাধীনতা, কথা বলার অধিকার ও নির্ভয়ে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দেয়। ১৭ বছরের রক্তঝরা আন্দোলনের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে। এতে ছাত্রদলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের শত শত নেতাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা রাজনীতি ও নাগরিক অধিকার বন্ধ করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নোংরাভাবে ব্যবহার করেছিলেন। আজ যারা নতুন করে রাজনীতিতে আসছেন, তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির উন্নয়ন ঘটাতে হবে। সমাজে পুনরায় ঘৃণা ও বিভেদ ছড়ানো বন্ধ করতে হবে, অন্যথায় স্বৈরাচারের পতনকে অর্থহীন করে তোলা হবে।

রিজভী আরও বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে শুরু থেকেই কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং শিক্ষার্থীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ও ‘বাংলা ব্লকেড’-এর মতো কর্মসূচিগুলোকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়া হয়েছিল। এই আন্দোলনে রিকশাচালক, শ্রমিক ও সর্বস্তরের মানুষের যে জাগরণ তৈরি হয়েছিল, তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার মানবকল্যাণ ও নার্সদের পেশাগত মানোন্নয়ন এবং তাঁদের ন্যায্য দাবিদাওয়া পূরণে বদ্ধপরিকর বলে উল্লেখ করেন রিজভী।

তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নার্সদের ভূমিকা ছিল অনন্য। তাঁরা রাজপথে আহত ছাত্র-জনতার পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। নার্সরা হলেন মানবতার প্রথম সারির সৈনিক। তাই স্বাস্থ্যখাতের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশটিকে অবহেলায় রেখে দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিগত স্বৈরাচারী সরকার স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছিল, তবে বর্তমান সরকার এই খাত সংস্কারে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward