বাংলাদেশ ০৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo বড় ব্যবধানে জয়ী রুবেল, শেরপুর-৩ এ বিএনপির হাসি Logo বাগেরহাটে বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত Logo শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে আড়াইহাজার উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি Logo পিরোজপুরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ আয়োজনে জেলা কমিটির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত Logo ক্রীড়া সামগ্রী উপহার দিলেন সদর ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সেক্রেটারি লুৎফুর Logo পিরোজপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা Logo পিরোজপুরে সরকারি মূল্যে এলপিজি ও অটোগ্যাস সরবরাহ নিশ্চিতকরণের মতবিনিময় সভা Logo র‍্যাগিং বন্ধে কুবি প্রক্টরিয়াল বডির জরুরি নির্দেশনা Logo রামগঞ্জ থেকে টিওরী সড়ক ১৫ বছরেও সংস্কারহীন, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ Logo মিঠাপুকুরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ভুয়া ওয়ারেন্টে সাংবাদিককে আটক, ১৮ ঘণ্টা পর আদালত থেকে মুক্তি

ছবি: ভুয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেওয়া আদালতের পেশকার মো. জসিম উদ্দিন।

কুমিল্লার দেবিদ্বরে এক স্থানীয় সাংবাদিক সোহরাব হোসেনকে ‘ভুয়া গ্রেপ্তারি ওয়ারেন্ট’ দেখিয়ে আটক করে থানা পুলিশ। আটকের ১৮ ঘণ্টা পর তিনি আদালত থেকে মুক্ত হন। ঘটনার তথ্য ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। সোহরাব হোসেন দৈনিক প্রতিদিন পত্রিকার দেবিদ্বার উপজেলা প্রতিনিধি এবং দেবিদ্বার রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাহী সদস্য।

জানা যায়, গত সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর উপজেলা কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার সময় দেবিদ্বার থানার এসআই ভবতোষ কান্তি দে নেতৃত্বে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। সাংবাদিক ওয়ারেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলেও পুলিশ তার কথায় কর্ণপাত করেনি। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সায়মা শরীফ নিশাত তাকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালত জানায়, থানায় পাঠানো ওয়ারেন্টটি সঠিক ছিল না।

সোহরাব হোসেন বলেন, “আমার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। জামিন থাকা সত্ত্বেও পুলিশ আমাকে ১৮ ঘণ্টা ধরে আটক রাখে। আদালতে যাচাই করার পর দেখানো হয় যে ওয়ারেন্টটি ভুল। এ ঘটনায় আমার সন্মানহানী হয়েছে, আমি লিখিত অভিযোগ দায়ের করব।”

দেবিদ্বর থানার এসআই ভবতোষ কান্তি দে জানান, “আদালতের ওয়ারেন্ট পাওয়ার কারণে আমরা তাকে আটক করেছি, পরে বুঝতে পেরেছি ওয়ারেন্টটি সঠিক ছিল না।” কুমিল্লার সিনিয়ার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৪নং আমলী আদালতের পেশকার মোঃ জসিম উদ্দিনও এ ভুলের বিষয়টি স্বীকার করেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দেশে ভুয়া গ্রেপ্তারি ওয়ারেন্টের মাধ্যমে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করার একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় ব্যবধানে জয়ী রুবেল, শেরপুর-৩ এ বিএনপির হাসি

ভুয়া ওয়ারেন্টে সাংবাদিককে আটক, ১৮ ঘণ্টা পর আদালত থেকে মুক্তি

প্রকাশিত: ০৮:৫০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লার দেবিদ্বরে এক স্থানীয় সাংবাদিক সোহরাব হোসেনকে ‘ভুয়া গ্রেপ্তারি ওয়ারেন্ট’ দেখিয়ে আটক করে থানা পুলিশ। আটকের ১৮ ঘণ্টা পর তিনি আদালত থেকে মুক্ত হন। ঘটনার তথ্য ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। সোহরাব হোসেন দৈনিক প্রতিদিন পত্রিকার দেবিদ্বার উপজেলা প্রতিনিধি এবং দেবিদ্বার রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাহী সদস্য।

জানা যায়, গত সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর উপজেলা কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার সময় দেবিদ্বার থানার এসআই ভবতোষ কান্তি দে নেতৃত্বে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। সাংবাদিক ওয়ারেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলেও পুলিশ তার কথায় কর্ণপাত করেনি। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সায়মা শরীফ নিশাত তাকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালত জানায়, থানায় পাঠানো ওয়ারেন্টটি সঠিক ছিল না।

সোহরাব হোসেন বলেন, “আমার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। জামিন থাকা সত্ত্বেও পুলিশ আমাকে ১৮ ঘণ্টা ধরে আটক রাখে। আদালতে যাচাই করার পর দেখানো হয় যে ওয়ারেন্টটি ভুল। এ ঘটনায় আমার সন্মানহানী হয়েছে, আমি লিখিত অভিযোগ দায়ের করব।”

দেবিদ্বর থানার এসআই ভবতোষ কান্তি দে জানান, “আদালতের ওয়ারেন্ট পাওয়ার কারণে আমরা তাকে আটক করেছি, পরে বুঝতে পেরেছি ওয়ারেন্টটি সঠিক ছিল না।” কুমিল্লার সিনিয়ার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৪নং আমলী আদালতের পেশকার মোঃ জসিম উদ্দিনও এ ভুলের বিষয়টি স্বীকার করেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দেশে ভুয়া গ্রেপ্তারি ওয়ারেন্টের মাধ্যমে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করার একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করছে।