হারিয়ে যাওয়া ও চুরি হওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর থানায় কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জামাল উদ্দিন। নিয়মিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মোবাইল ফোন উদ্ধারে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় তিনি স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন। একই সঙ্গে ডাকাতি ও অপরাধ দমনে অভিযানেও ভূমিকা রেখে নজর কেড়েছেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এএসআই জামাল উদ্দিন প্রতি মাসে গড়ে ১০ থেকে ১৫টিরও বেশি হারানো বা চুরি হওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে কাজ করেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফোনগুলো উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
এ বিষয়ে এএসআই জামাল উদ্দিন বলেন, ‘জনগণের শখের মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে সেটি উদ্ধার করে তাদের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করি। যত দ্রুত সম্ভব হারিয়ে যাওয়া ফোন উদ্ধার করে মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কাজ করি।’
মোবাইল ফোন উদ্ধারের পাশাপাশি অপরাধ দমনেও কাজ করছেন এ পুলিশ কর্মকর্তা। তাঁর কর্মজীবনে হিরাজ, হারিজ, মুমিন, চুন্নু ও কানুসহ পরিচিত কয়েকজন ডাকাতকে গ্রেপ্তারের অভিযানে ভূমিকা রাখার কথা জানা গেছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিজের দায়িত্ব পালনে সক্রিয় রয়েছেন তিনি।
২০১৩ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন এএসআই জামাল উদ্দিন। বর্তমানে তিনি প্রায় ১০ মাস ধরে নাসিরনগর থানায় দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে আশুগঞ্জসহ বিভিন্ন থানায় কর্মরত ছিলেন তিনি। তাঁর বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়।
পুলিশের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধারে তাঁর এই প্রচেষ্টা জনসেবার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে এএসআই জামাল উদ্দিন ভবিষ্যতেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।
kalprakash.com/IM