বাংলাদেশ ০৫:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo ছাদ ধসের আতঙ্কে জবিতে হেলমেট পরে পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা Logo দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ ২ লাখ ৫৫ হাজার টন ছাড়াল Logo কুমিল্লায় দুই সাংবাদিককে হেনস্থা ও হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ছবি প্রকাশে সিআরএ’র নিন্দা Logo শচীন টেন্ডুলকারের ছেলে অর্জুন: “খেলি শুধুই ভালোবাসার জন্য, প্রমাণের জন্য নয়” Logo আজ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস: শিশুদের যত্নে সচেতনতা জরুরি Logo ভূমিকম্প ঘিরে ১ লাখ ৪৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের খসড়া তালিকা প্রস্তুত: ত্রাণমন্ত্রী Logo ট্রাম্পের ভাষণের পর ইরান ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বৃদ্ধি করল Logo ইরান যুদ্ধ দুই-তিন সপ্তাহেই শেষ হবে: ট্রাম্পের জাতির উদ্দেশে ভাষণ Logo মানবতাবিরোধী মামলায় ইনুর পুনঃতদন্তের আবেদন খারিজ Logo ইসলামিক প্রজাতন্ত্র দিবসে তেহরানে উড়ল ইরানের সর্ববৃহৎ পতাকা

কুমিল্লায় দুই সাংবাদিককে হেনস্থা ও হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ছবি প্রকাশে সিআরএ’র নিন্দা

কুমিল্লায় দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশের পর বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে।

কুমিল্লার চান্দিনা থানার এসিল্যান্ড কার্যালয়ে ফেস দ্যা পিপল-এর প্রতিনিধি আব্দুল আলিম এবং দৈনিক মানবজমিন-এর প্রতিনিধি রাসেল সাংবাদিক অসদাচরণের অভিযোগের ভিডিও ধারণ করতে গেলে, তাদের হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনা ধরা পড়া ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

সাংবাদিক, সাংবাদিক সংগঠনসহ বিভিন্ন মহল এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে অনেক ব্যবহারকারী ওই ছবিটিকে নিজেদের প্রোফাইল পিকচার হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পড়ানোর আইনগত ভিত্তি কতটা রয়েছে।

চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (সিআরএ) এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

সিআরএ’র সভাপতি সোহাগ আরেফিন বলেন, হাতকড়া পরানোর আগে তারা অবশ্যই জানতেন যে এই ব্যক্তি সংবাদকর্মী, কোনো দাগী আসামী নয়। অতএব, এভাবে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়া হলো হেনস্থা ও হয়রানি। কোনো মামলা ছাড়া এমন আচরণ আজকের সাংবাদিকতার জন্য কলঙ্কজনক। এটি পরিষ্কার করে প্রমাণ করে, সাংবাদিকদের প্রতি কতটা অবহেলা করা হচ্ছে।

সিআরএ’র সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন খোকন বলেন, হাতকড়া পরিয়ে সাংবাদিককে আদালতে নেওয়া হয়নি, শুধুমাত্র থানায় নিয়ে গিয়ে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে হাতকড়া কেন পরানো হলো, তা বোধগম্য নয়। একজন পরিচিত গণমাধ্যমের সাংবাদিক কীভাবে পুলিশের কাছে বিপজ্জনক আসামি বিবেচিত হতে পারে? এটি সামাজিক মর্যাদা ও আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষমতার অপব্যবহার।

সিআরএ’র সাংগঠনিক সম্পাদক অন্তর মাহমুদ রুবেল বলেন, “অতীতেও আমরা অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিকে যৌক্তিক কারণ ছাড়াই এমন নাজেহাল হতে দেখেছি। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের ক্ষেত্রেও এমন ঘটনা ঘটেছে। ২০২০ সালে ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের সাথেও এমন আচরণ দেখা গিয়েছিল।

সিআরএ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাদ ধসের আতঙ্কে জবিতে হেলমেট পরে পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা

কুমিল্লায় দুই সাংবাদিককে হেনস্থা ও হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ছবি প্রকাশে সিআরএ’র নিন্দা

প্রকাশিত: ০২:১৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লায় দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশের পর বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে।

কুমিল্লার চান্দিনা থানার এসিল্যান্ড কার্যালয়ে ফেস দ্যা পিপল-এর প্রতিনিধি আব্দুল আলিম এবং দৈনিক মানবজমিন-এর প্রতিনিধি রাসেল সাংবাদিক অসদাচরণের অভিযোগের ভিডিও ধারণ করতে গেলে, তাদের হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনা ধরা পড়া ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

সাংবাদিক, সাংবাদিক সংগঠনসহ বিভিন্ন মহল এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে অনেক ব্যবহারকারী ওই ছবিটিকে নিজেদের প্রোফাইল পিকচার হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পড়ানোর আইনগত ভিত্তি কতটা রয়েছে।

চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (সিআরএ) এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

সিআরএ’র সভাপতি সোহাগ আরেফিন বলেন, হাতকড়া পরানোর আগে তারা অবশ্যই জানতেন যে এই ব্যক্তি সংবাদকর্মী, কোনো দাগী আসামী নয়। অতএব, এভাবে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়া হলো হেনস্থা ও হয়রানি। কোনো মামলা ছাড়া এমন আচরণ আজকের সাংবাদিকতার জন্য কলঙ্কজনক। এটি পরিষ্কার করে প্রমাণ করে, সাংবাদিকদের প্রতি কতটা অবহেলা করা হচ্ছে।

সিআরএ’র সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন খোকন বলেন, হাতকড়া পরিয়ে সাংবাদিককে আদালতে নেওয়া হয়নি, শুধুমাত্র থানায় নিয়ে গিয়ে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে হাতকড়া কেন পরানো হলো, তা বোধগম্য নয়। একজন পরিচিত গণমাধ্যমের সাংবাদিক কীভাবে পুলিশের কাছে বিপজ্জনক আসামি বিবেচিত হতে পারে? এটি সামাজিক মর্যাদা ও আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষমতার অপব্যবহার।

সিআরএ’র সাংগঠনিক সম্পাদক অন্তর মাহমুদ রুবেল বলেন, “অতীতেও আমরা অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিকে যৌক্তিক কারণ ছাড়াই এমন নাজেহাল হতে দেখেছি। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের ক্ষেত্রেও এমন ঘটনা ঘটেছে। ২০২০ সালে ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের সাথেও এমন আচরণ দেখা গিয়েছিল।

সিআরএ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে।