বাংলাদেশ ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
* কুমিল্লা-৯ আসন

প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই আবুল কালামের বাজিমাত

প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক মো.সম্পাদক আবুল কালাম। কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোটে লড়েন তিনি। আর তাতেই বাজিমাত করেছেন। ১ লাখ ৭০ হাজার ৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আবুল কালাম।

এটিই বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালামের প্রথম কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ একেএম সরোয়ার হোসেন ছিদ্দীকি। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১লাখ ১৮ হাজার ৯৬১ ভোট।

আসনটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩৫জন। বৈধ ভোট পড়েছে ৩ লাখ ২ হাজার ৬৬৫টি। ভোটের হার ৬৫ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।

২০০১ সালে সবশেষ কুমিল্লা ৯ আসনটিতে জয় পেয়েছিল বিএনপি। দুই দশক ধরে আওয়ামী লীগের দখলে থাকা আসনটি পুনরুদ্ধার করেছেন বিএনপির এই প্রার্থী। তার জয়ে উদ্ভাসিত আসনের ভোটাররা।

তালহা আবেদ নামের এক ভোটার কাল প্রকাশকে বলেন, আবুল কালাম ভাই একজন স্বচ্ছ-পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। উনার রাজনীতিতে ত্যাগের পথটা অনেক দীর্ঘ। এবার বিএনপি তাকে মনোনয়ন দিয়েছে, আমরা সবাই তাকে স্বতস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে পাস করিয়েছি। আমরা অনেক খুশি।

মুরাদ হোসেন নামের এক ভোটার কাল প্রকাশকে বলেন, লাকসাম-মনোহরগঞ্জের মানুষ একজন সৎ জনপ্রতিনিধি পেয়েছে। এই জনপদের মানুষের কল্যাণই হবে। আবুল কালাম ভাই একজন সজ্জন ব্যক্তি।

জয়ের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মো. আবুল কালাম কাল প্রকাশকে বলেন, ২৬ বছর আগে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছি। বেশ কয়েকবার দলের মনোনয়ন চেয়েছি। এই ২৬ বছরে মামলা-হামলা, জেল-জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছি। বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছি। একটি সরকারি সংস্থা দ্বারা গুম হয়েছি, মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে তারা আমাকে মুক্তি দেয়। বেশ কয়েকবার কারাবরণ করেছি। ২৬টি মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছি। দীর্ঘ এই লড়াইয়ের পর দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। প্রতীক পাওয়ার পর প্রতিটি এলাকার মানুষের সাথে মিশেছি। মানুষ আমাকে বিশ্বাস করে ভোট দিয়েছে। আল্লাহর অশেষ রহমত আর ভোটারদের ভালোবাসায় আমি জয়ী হয়েছি। মানুষকে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সবগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করব ইনশাআল্লাহ।

জনপ্রিয় সংবাদ

* কুমিল্লা-৯ আসন

প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়েই আবুল কালামের বাজিমাত

প্রকাশিত: ১২:৫২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক মো.সম্পাদক আবুল কালাম। কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোটে লড়েন তিনি। আর তাতেই বাজিমাত করেছেন। ১ লাখ ৭০ হাজার ৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আবুল কালাম।

এটিই বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালামের প্রথম কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ একেএম সরোয়ার হোসেন ছিদ্দীকি। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১লাখ ১৮ হাজার ৯৬১ ভোট।

আসনটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩৫জন। বৈধ ভোট পড়েছে ৩ লাখ ২ হাজার ৬৬৫টি। ভোটের হার ৬৫ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।

২০০১ সালে সবশেষ কুমিল্লা ৯ আসনটিতে জয় পেয়েছিল বিএনপি। দুই দশক ধরে আওয়ামী লীগের দখলে থাকা আসনটি পুনরুদ্ধার করেছেন বিএনপির এই প্রার্থী। তার জয়ে উদ্ভাসিত আসনের ভোটাররা।

তালহা আবেদ নামের এক ভোটার কাল প্রকাশকে বলেন, আবুল কালাম ভাই একজন স্বচ্ছ-পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। উনার রাজনীতিতে ত্যাগের পথটা অনেক দীর্ঘ। এবার বিএনপি তাকে মনোনয়ন দিয়েছে, আমরা সবাই তাকে স্বতস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে পাস করিয়েছি। আমরা অনেক খুশি।

মুরাদ হোসেন নামের এক ভোটার কাল প্রকাশকে বলেন, লাকসাম-মনোহরগঞ্জের মানুষ একজন সৎ জনপ্রতিনিধি পেয়েছে। এই জনপদের মানুষের কল্যাণই হবে। আবুল কালাম ভাই একজন সজ্জন ব্যক্তি।

জয়ের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মো. আবুল কালাম কাল প্রকাশকে বলেন, ২৬ বছর আগে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছি। বেশ কয়েকবার দলের মনোনয়ন চেয়েছি। এই ২৬ বছরে মামলা-হামলা, জেল-জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছি। বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছি। একটি সরকারি সংস্থা দ্বারা গুম হয়েছি, মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে তারা আমাকে মুক্তি দেয়। বেশ কয়েকবার কারাবরণ করেছি। ২৬টি মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছি। দীর্ঘ এই লড়াইয়ের পর দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। প্রতীক পাওয়ার পর প্রতিটি এলাকার মানুষের সাথে মিশেছি। মানুষ আমাকে বিশ্বাস করে ভোট দিয়েছে। আল্লাহর অশেষ রহমত আর ভোটারদের ভালোবাসায় আমি জয়ী হয়েছি। মানুষকে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সবগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করব ইনশাআল্লাহ।