বাংলাদেশ ১১:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দুই ওভারের পর ওয়াংখেড়ের পিচ হতবাক করেছিল ভারতকে

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশিত: ১২:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৯ বার দেখা হয়েছে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল ভারত। পাওয়ার প্লেতে চার উইকেট পড়ে তাদের। ওয়াংখেড়ের পিচের এমন আচরণে হতবাক হয়েছিলেন ভারতের ক্রিকেটাররা। ভারতের সহঅধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল স্বীকার করলেন, ওয়াংখেড়ের পিচ তাদের অপ্রস্তুত করে দিয়েছিল।

বিপর্যস্ত পরিস্থিতি থেকে ভারত ঘুরে দাঁড়ায় অক্ষর ও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে। সহঅধিনায়ক ম্যাচ শেষে বললেন, ‘সাধারণত মুম্বাইয়ের উইকেট ফ্ল্যাট। কিন্তু এটা ছিল ভিন্ন। তাই ১৪০-১৫- করতে আমরা আমাদের পরিকল্পনায় পরিবর্তন এনেছিলাম। দুই ওভারের পর আমরা হতবাক হয়েছিলাম। যখন আমি ব্যাট করতে নামলাম, তখন ১৪০ পর্যন্ত নিতে চেয়েছিলাম। তারপর এক ওভারে এলো ২১ রান এবং পরে সূর্য আরও বেশি রান করল।’

যুক্তরাষ্ট্র অপ্রত্যাশিতভাবে ধাক্কা খায় আলী খানের ইনজুরিতে। নিজের প্রথম দুই ওভারে মাত্র ১৩ রান দেওয়া এই বোলার অভিষেক শর্মাকে গোল্ডেন ডাকের শিকার বানান। তার ইনজুরিতে বাকি দুই ওভার বল করতে পারেননি আলী। যুক্তরাষ্ট্র সৌরভ নেত্রাভালকারের হাতে বল দেয়। এই দুই ওভারে ২১টি করে মোট ৪২ রান দেন।

অক্ষর জানালেন, শুরুর ধস ভারতীয় দলের জন্য ভালো অভিজ্ঞতা ছিল। তিনি বললেন, ‘শুরুর দিকে যে উইকেট পড়েছে তা ক্রিকেটের অংশ। তাও ভালো প্রথম ম্যাচেই এমন কিছু হলো। ক্রিকেটে পিচ বুঝতে পারা গুরুত্বপূর্ণ। এই অভিজ্ঞতার কারণে আমরা আরও ভালো কিছু করতে পারব।’

পিচ নিয়ে কথা বলেছেন মোহাম্মদ সিরাজও। শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপ দলে ডাক পেয়ে তিন উইকেট নিয়েছেন। তিনি বললেন, ড্রেসিংরুমে এনিয়ে কথা বলেছেন ইশান কিষাণ। অক্ষর বললেন, ‘যখন ইশান খেলছিল, সে বলছিল যে এটা দুই গতির পিচ। আমাদের মনে হয়েছিল ১৭০ ভালো স্কোর, সেটাই সঠিক প্রমাণিত হয়েছে।’

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই ওভারের পর ওয়াংখেড়ের পিচ হতবাক করেছিল ভারতকে

প্রকাশিত: ১২:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল ভারত। পাওয়ার প্লেতে চার উইকেট পড়ে তাদের। ওয়াংখেড়ের পিচের এমন আচরণে হতবাক হয়েছিলেন ভারতের ক্রিকেটাররা। ভারতের সহঅধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল স্বীকার করলেন, ওয়াংখেড়ের পিচ তাদের অপ্রস্তুত করে দিয়েছিল।

বিপর্যস্ত পরিস্থিতি থেকে ভারত ঘুরে দাঁড়ায় অক্ষর ও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে। সহঅধিনায়ক ম্যাচ শেষে বললেন, ‘সাধারণত মুম্বাইয়ের উইকেট ফ্ল্যাট। কিন্তু এটা ছিল ভিন্ন। তাই ১৪০-১৫- করতে আমরা আমাদের পরিকল্পনায় পরিবর্তন এনেছিলাম। দুই ওভারের পর আমরা হতবাক হয়েছিলাম। যখন আমি ব্যাট করতে নামলাম, তখন ১৪০ পর্যন্ত নিতে চেয়েছিলাম। তারপর এক ওভারে এলো ২১ রান এবং পরে সূর্য আরও বেশি রান করল।’

যুক্তরাষ্ট্র অপ্রত্যাশিতভাবে ধাক্কা খায় আলী খানের ইনজুরিতে। নিজের প্রথম দুই ওভারে মাত্র ১৩ রান দেওয়া এই বোলার অভিষেক শর্মাকে গোল্ডেন ডাকের শিকার বানান। তার ইনজুরিতে বাকি দুই ওভার বল করতে পারেননি আলী। যুক্তরাষ্ট্র সৌরভ নেত্রাভালকারের হাতে বল দেয়। এই দুই ওভারে ২১টি করে মোট ৪২ রান দেন।

অক্ষর জানালেন, শুরুর ধস ভারতীয় দলের জন্য ভালো অভিজ্ঞতা ছিল। তিনি বললেন, ‘শুরুর দিকে যে উইকেট পড়েছে তা ক্রিকেটের অংশ। তাও ভালো প্রথম ম্যাচেই এমন কিছু হলো। ক্রিকেটে পিচ বুঝতে পারা গুরুত্বপূর্ণ। এই অভিজ্ঞতার কারণে আমরা আরও ভালো কিছু করতে পারব।’

পিচ নিয়ে কথা বলেছেন মোহাম্মদ সিরাজও। শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপ দলে ডাক পেয়ে তিন উইকেট নিয়েছেন। তিনি বললেন, ড্রেসিংরুমে এনিয়ে কথা বলেছেন ইশান কিষাণ। অক্ষর বললেন, ‘যখন ইশান খেলছিল, সে বলছিল যে এটা দুই গতির পিচ। আমাদের মনে হয়েছিল ১৭০ ভালো স্কোর, সেটাই সঠিক প্রমাণিত হয়েছে।’