বাংলাদেশ ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo মুক্তিযুদ্ধে বাংলার নদ-নদী ও প্রকৃতি ছিল অকুতোভয় সহযোদ্ধা Logo জবি ছাত্রদলের ১০ দিনের আল্টিমেটাম: দখলকৃত হল পুনরুদ্ধারে কঠোর বার্তা Logo হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব তিথিতে লক্ষিখালীতে বারুণীস্নান ও মতুয়া মেলা Logo রক্তাক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, পারিবারিক বিরোধে হামলার অভিযোগ Logo বাগমারায় অবৈধভাবে ৬৫০ লিটার জ্বালানি মজুত, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা Logo কুবির প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা Logo মুনাফা কমে নোকিয়া ১৪ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে Logo রিজিকের বরকত বৃদ্ধির জন্য করণীয়: ইস্তিগফার, দরুদ, সদকা ও তাকওয়া Logo বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব: সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিন দিন অনলাইনে, তিন দিন সশরীরে ক্লাস Logo অবৈধ সমুদ্রপথে ইউরোপ যাত্রা: বাংলাদেশিরা মানবপাচার ও নির্যাতনের শিকার

চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে আরও দুই জ্বালানিবাহী জাহাজ

  • বাসস
  • প্রকাশিত: ০১:০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ৭৯ বার দেখা হয়েছে

দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রয়েছে। আমদানিকৃত জ্বালানি খালাসে গতি আনতে বন্দরে ভিড়ছে আরও দুটি বড় জাহাজ।

বর্তমানে খালাস চলতে থাকা ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ ও ‘এলপিজি সেভেন’-এর মধ্যে প্রথমটি আগামীকাল (বুধবার) এবং দ্বিতীয়টি আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) বন্দরে ভিড়বে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই জাহাজ দুটির আগমন জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী, ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ নামের জাহাজটি মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে গত ১৫ মার্চ বন্দরে পৌঁছেছে এবং বর্তমানে ব্রাভো মুরিং-এ অবস্থান করছে। জাহাজটি থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন কার্গো খালাস করা হয়েছে। ১৯ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে এর সম্পূর্ণ খালাস প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, জাহাজটি আগামীকাল বুধবার মূল বন্দরে ভিড়বে।

অন্যদিকে, ‘এলপিজি সেভেন’ নামের জাহাজটি ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে গত ৮ মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছায় এবং বর্তমানে কুতুবদিয়া এলাকায় অবস্থান করছে। এখন পর্যন্ত জাহাজটি থেকে প্রায় ৭ হাজার ২০ মেট্রিক টন এলপিজি খালাস হয়েছে। ২০ মার্চ ২০২৬ তারিখে জাহাজটির সম্পূর্ণ কার্যক্রম শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী শুক্রবার এটি বন্দরে ভিড়বে বলে জানা গেছে।

বন্দরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোট ২৮টি জ্বালানিবাহী জাহাজের মধ্যে অধিকাংশ ইতোমধ্যে কার্গো খালাস শেষে বন্দর ত্যাগ করেছে। কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ওমান ও ভারত থেকে আসা এসব জাহাজ এলএনজি, এলপিজি, ক্রুড অয়েল, গ্যাস অয়েল, এইচএসএফও ও বেস অয়েল সরবরাহ করেছে। এ ছাড়া কাতার, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, অ্যাঙ্গোলা, থাইল্যান্ড ও ওমান থেকে এলএনজি, এইচএসএফও ও এলপিজিবাহী আরও কয়েকটি জাহাজ বর্তমানে বন্দরের পথে (প্যাসেজ) রয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়াত হামিম বলেন, ‘জ্বালানি খালাস ও সরবরাহ কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন জাহাজগুলোর আগমনের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

সূত্র: বাসস

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

মুক্তিযুদ্ধে বাংলার নদ-নদী ও প্রকৃতি ছিল অকুতোভয় সহযোদ্ধা

চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে আরও দুই জ্বালানিবাহী জাহাজ

প্রকাশিত: ০১:০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রয়েছে। আমদানিকৃত জ্বালানি খালাসে গতি আনতে বন্দরে ভিড়ছে আরও দুটি বড় জাহাজ।

বর্তমানে খালাস চলতে থাকা ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ ও ‘এলপিজি সেভেন’-এর মধ্যে প্রথমটি আগামীকাল (বুধবার) এবং দ্বিতীয়টি আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) বন্দরে ভিড়বে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই জাহাজ দুটির আগমন জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী, ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ নামের জাহাজটি মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে গত ১৫ মার্চ বন্দরে পৌঁছেছে এবং বর্তমানে ব্রাভো মুরিং-এ অবস্থান করছে। জাহাজটি থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন কার্গো খালাস করা হয়েছে। ১৯ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে এর সম্পূর্ণ খালাস প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, জাহাজটি আগামীকাল বুধবার মূল বন্দরে ভিড়বে।

অন্যদিকে, ‘এলপিজি সেভেন’ নামের জাহাজটি ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে গত ৮ মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছায় এবং বর্তমানে কুতুবদিয়া এলাকায় অবস্থান করছে। এখন পর্যন্ত জাহাজটি থেকে প্রায় ৭ হাজার ২০ মেট্রিক টন এলপিজি খালাস হয়েছে। ২০ মার্চ ২০২৬ তারিখে জাহাজটির সম্পূর্ণ কার্যক্রম শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী শুক্রবার এটি বন্দরে ভিড়বে বলে জানা গেছে।

বন্দরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোট ২৮টি জ্বালানিবাহী জাহাজের মধ্যে অধিকাংশ ইতোমধ্যে কার্গো খালাস শেষে বন্দর ত্যাগ করেছে। কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ওমান ও ভারত থেকে আসা এসব জাহাজ এলএনজি, এলপিজি, ক্রুড অয়েল, গ্যাস অয়েল, এইচএসএফও ও বেস অয়েল সরবরাহ করেছে। এ ছাড়া কাতার, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, অ্যাঙ্গোলা, থাইল্যান্ড ও ওমান থেকে এলএনজি, এইচএসএফও ও এলপিজিবাহী আরও কয়েকটি জাহাজ বর্তমানে বন্দরের পথে (প্যাসেজ) রয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়াত হামিম বলেন, ‘জ্বালানি খালাস ও সরবরাহ কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন জাহাজগুলোর আগমনের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

সূত্র: বাসস