বাংলাদেশ ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

ভাণ্ডারিয়ায় দাফনে বাধা, মরদেহ উত্তোলনের অভিযোগ

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে পারিবারিক কবরস্থানে এক নারীর দাফনে বাধা এবং তার স্বামীর মরদেহ উত্তোলনের অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, মৃত সোলাইমান গাজীর স্ত্রী নূরনাহার মৃত্যুর আগে সন্তানদের কাছে অনুরোধ করে যান, মৃত্যুর পর যেন তাকে স্বামী সোলাইমান গাজীর কবরের পাশেই পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। সম্প্রতি তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করলে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী স্থানীয় এলাকাবাসী পারিবারিক কবরস্থানে স্বামীর কবরের পাশে কবর খননের কাজ শুরু করেন।

পরে সন্ধ্যায় ঢাকার হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে একই বাড়ির মনু গাজীর ছেলে, কথিত সাংবাদিক মজিবুর রহমান গাজী দাফনে আপত্তি জানান। অভিযোগ রয়েছে, তিনি শুধু আপত্তি জানিয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং সোলাইমান গাজীর মরদেহও সেখান থেকে সরিয়ে অন্যত্র দাফনের দাবি জানান।

স্থানীয়রা তাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলেও তিনি অনড় অবস্থানে থাকেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ প্রশাসনের সদস্যরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলেও ওই নারীর মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা সম্ভব হয়নি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মজিবুর রহমান গাজী বিভিন্ন কল্পিত যুক্তি ও হুমকি-ধমকি দিয়ে প্রায় ১০ মাস আগে দাফন করা সোলাইমান গাজীর মরদেহও ওই কবর থেকে উত্তোলনে বাধ্য করেন।

পরিস্থিতির চাপে উপায়ান্তর না দেখে এলাকাবাসী সারারাত ধরে কবর উত্তোলনের কাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থান থেকে দূরে একটি বাগানে সোলাইমান গাজী দম্পতির মরদেহ পুনরায় দাফন করেন।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

ভাণ্ডারিয়ায় দাফনে বাধা, মরদেহ উত্তোলনের অভিযোগ

প্রকাশিত: ০২:৫২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে পারিবারিক কবরস্থানে এক নারীর দাফনে বাধা এবং তার স্বামীর মরদেহ উত্তোলনের অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, মৃত সোলাইমান গাজীর স্ত্রী নূরনাহার মৃত্যুর আগে সন্তানদের কাছে অনুরোধ করে যান, মৃত্যুর পর যেন তাকে স্বামী সোলাইমান গাজীর কবরের পাশেই পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। সম্প্রতি তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করলে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী স্থানীয় এলাকাবাসী পারিবারিক কবরস্থানে স্বামীর কবরের পাশে কবর খননের কাজ শুরু করেন।

পরে সন্ধ্যায় ঢাকার হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে একই বাড়ির মনু গাজীর ছেলে, কথিত সাংবাদিক মজিবুর রহমান গাজী দাফনে আপত্তি জানান। অভিযোগ রয়েছে, তিনি শুধু আপত্তি জানিয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং সোলাইমান গাজীর মরদেহও সেখান থেকে সরিয়ে অন্যত্র দাফনের দাবি জানান।

স্থানীয়রা তাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলেও তিনি অনড় অবস্থানে থাকেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ প্রশাসনের সদস্যরা বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলেও ওই নারীর মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা সম্ভব হয়নি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মজিবুর রহমান গাজী বিভিন্ন কল্পিত যুক্তি ও হুমকি-ধমকি দিয়ে প্রায় ১০ মাস আগে দাফন করা সোলাইমান গাজীর মরদেহও ওই কবর থেকে উত্তোলনে বাধ্য করেন।

পরিস্থিতির চাপে উপায়ান্তর না দেখে এলাকাবাসী সারারাত ধরে কবর উত্তোলনের কাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থান থেকে দূরে একটি বাগানে সোলাইমান গাজী দম্পতির মরদেহ পুনরায় দাফন করেন।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।