বাংলাদেশ ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নিজ জেলায় মহানগর পুলিশে আর দায়িত্ব নয়, শতাধিক সদস্যের বদলির সিদ্ধান্ত Logo নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা ঋণ সুবিধা Logo চাটমোহরে মোটরসাইকেলের বিকট শব্দে সাইলেন্সারে অতিষ্ঠ জনজীবন Logo মাটিরাঙ্গা জোনের উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী মানবিক সহায়তা কর্মসূচি Logo রাঙামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ছাত্রলীগ–যুবলীগসহ গ্রেপ্তার ৫ Logo জবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের উদ্যোগে সাংবাদিকতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo সিএমপির সাইবার সাপোর্ট অ্যান্ড রেসপন্স সেন্টারের উদ্বোধন Logo শর্ত পূরণ করলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে সবাই: জাহেদ উর রহমান Logo চিতলমারীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার Logo ভেজাল দুধ ব্যবসায়ী মমিনের ফাঁসির দাবিতে চাটমোহরে মানববন্ধন

আমি মরে গেলেও গানগুলো থাকবে, শুধু নষ্ট না হোক: রিংকু

চারবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর সংগীতজীবনে কার্যত ইতি টেনেছেন ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত জনপ্রিয় লোকসংগীত শিল্পী মশিউর রহমান রিংকু। দীর্ঘদিন ধরে সংগীতাঙ্গন থেকে দূরে থাকা এই শিল্পী এখন গ্রামের বাড়িতেই নিভৃতে সময় কাটাচ্ছেন। শারীরিক অবস্থার কারণে আর গানে ফেরার সম্ভাবনা দেখছেন না তিনি। তবে তার একমাত্র চাওয়া, নিজের সৃষ্টি করা গানগুলো যেন হারিয়ে না যায়।

সম্প্রতি ‘পথের গল্প’ নামের একটি ট্রাভেল ডকুমেন্টারিতে অংশ নিয়ে নিজের বর্তমান জীবন, শারীরিক অবস্থা ও সংগীতজীবনের নানা দিক নিয়ে কথা বলেন রিংকু।

তিনি বলেন, “পুরোপুরি গানে ফেরার ইচ্ছা আমার নেই। ইচ্ছা করলেও সেই সম্ভাবনা নেই। চারবার স্ট্রোক হয়েছে। এর মধ্যে এক-দুবারের কথা কেউ জানতও না। চারবার স্ট্রোক হওয়ার পর বুঝেছি, আগের মতো ফিরে আসা আর সম্ভব নয়। পরিপূর্ণভাবে ফিরতে না পারলে ফেরারও প্রয়োজন নেই।”

আবেগঘন কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, “আমি মরে গেলেও গানগুলো থাকবে। আমার একটাই আহ্বান, গানগুলো যেন নষ্ট না হয়।”

শহরের মানুষের সম্পর্ক ও ভালোবাসা নিয়েও আক্ষেপ প্রকাশ করেন এই লোকসংগীতশিল্পী। তার ভাষ্য, গ্রামের মানুষের ভালোবাসা অনেক বেশি আন্তরিক ও নিঃস্বার্থ।

রিংকু বলেন, “শহরের মানুষের ভালোবাসা অনেক সময় কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত। কিন্তু গ্রামের মানুষের ভালোবাসা অরিজিনাল। তারাই এখন আমার বন্ধু। কাজ থাকলে কাছের মানুষ, কাজ শেষ হলে দূরে সরে যায়—এমন অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, একসময় যাদের বন্ধু মনে করতেন, তাদের অনেকেই এখন আর খোঁজ নেন না। তবে কারও সহানুভূতি প্রত্যাশা করেন না বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।

২০২০ সালে প্রথম স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন রিংকু। শরীরের একপাশ অবশ হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাপনও কঠিন হয়ে পড়ে তার জন্য। সেই বাস্তবতাকে মেনে নিয়েই এখন গ্রামের মানুষের সান্নিধ্যে দিন কাটছে শ্রোতাপ্রিয় এই শিল্পীর।

মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
আমি মরে গেলেও গানগুলো থাকবে, শুধু নষ্ট না হোক: রিংকু
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

নিজ জেলায় মহানগর পুলিশে আর দায়িত্ব নয়, শতাধিক সদস্যের বদলির সিদ্ধান্ত

আমি মরে গেলেও গানগুলো থাকবে, শুধু নষ্ট না হোক: রিংকু

প্রকাশিত: ০১:৪৭:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

চারবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর সংগীতজীবনে কার্যত ইতি টেনেছেন ক্লোজআপ ওয়ানখ্যাত জনপ্রিয় লোকসংগীত শিল্পী মশিউর রহমান রিংকু। দীর্ঘদিন ধরে সংগীতাঙ্গন থেকে দূরে থাকা এই শিল্পী এখন গ্রামের বাড়িতেই নিভৃতে সময় কাটাচ্ছেন। শারীরিক অবস্থার কারণে আর গানে ফেরার সম্ভাবনা দেখছেন না তিনি। তবে তার একমাত্র চাওয়া, নিজের সৃষ্টি করা গানগুলো যেন হারিয়ে না যায়।

সম্প্রতি ‘পথের গল্প’ নামের একটি ট্রাভেল ডকুমেন্টারিতে অংশ নিয়ে নিজের বর্তমান জীবন, শারীরিক অবস্থা ও সংগীতজীবনের নানা দিক নিয়ে কথা বলেন রিংকু।

তিনি বলেন, “পুরোপুরি গানে ফেরার ইচ্ছা আমার নেই। ইচ্ছা করলেও সেই সম্ভাবনা নেই। চারবার স্ট্রোক হয়েছে। এর মধ্যে এক-দুবারের কথা কেউ জানতও না। চারবার স্ট্রোক হওয়ার পর বুঝেছি, আগের মতো ফিরে আসা আর সম্ভব নয়। পরিপূর্ণভাবে ফিরতে না পারলে ফেরারও প্রয়োজন নেই।”

আবেগঘন কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, “আমি মরে গেলেও গানগুলো থাকবে। আমার একটাই আহ্বান, গানগুলো যেন নষ্ট না হয়।”

শহরের মানুষের সম্পর্ক ও ভালোবাসা নিয়েও আক্ষেপ প্রকাশ করেন এই লোকসংগীতশিল্পী। তার ভাষ্য, গ্রামের মানুষের ভালোবাসা অনেক বেশি আন্তরিক ও নিঃস্বার্থ।

রিংকু বলেন, “শহরের মানুষের ভালোবাসা অনেক সময় কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত। কিন্তু গ্রামের মানুষের ভালোবাসা অরিজিনাল। তারাই এখন আমার বন্ধু। কাজ থাকলে কাছের মানুষ, কাজ শেষ হলে দূরে সরে যায়—এমন অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, একসময় যাদের বন্ধু মনে করতেন, তাদের অনেকেই এখন আর খোঁজ নেন না। তবে কারও সহানুভূতি প্রত্যাশা করেন না বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।

২০২০ সালে প্রথম স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন রিংকু। শরীরের একপাশ অবশ হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাপনও কঠিন হয়ে পড়ে তার জন্য। সেই বাস্তবতাকে মেনে নিয়েই এখন গ্রামের মানুষের সান্নিধ্যে দিন কাটছে শ্রোতাপ্রিয় এই শিল্পীর।

মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
আমি মরে গেলেও গানগুলো থাকবে, শুধু নষ্ট না হোক: রিংকু