বাংলাদেশ ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নিজ জেলায় মহানগর পুলিশে আর দায়িত্ব নয়, শতাধিক সদস্যের বদলির সিদ্ধান্ত Logo নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা ঋণ সুবিধা Logo চাটমোহরে মোটরসাইকেলের বিকট শব্দে সাইলেন্সারে অতিষ্ঠ জনজীবন Logo মাটিরাঙ্গা জোনের উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী মানবিক সহায়তা কর্মসূচি Logo রাঙামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ছাত্রলীগ–যুবলীগসহ গ্রেপ্তার ৫ Logo জবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের উদ্যোগে সাংবাদিকতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত Logo সিএমপির সাইবার সাপোর্ট অ্যান্ড রেসপন্স সেন্টারের উদ্বোধন Logo শর্ত পূরণ করলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে সবাই: জাহেদ উর রহমান Logo চিতলমারীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার Logo ভেজাল দুধ ব্যবসায়ী মমিনের ফাঁসির দাবিতে চাটমোহরে মানববন্ধন

বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিলের প্রস্তুতুতি নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন

মিসরের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে জয় পেয়েছে ব্রাজিল। তবে ফলাফল ইতিবাচক হলেও দলের পারফরম্যান্স নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। মাঠের ভেতরে সমন্বয়ের অভাব, রক্ষণভাগের দুর্বলতা এবং আক্রমণে ধারাবাহিকতার ঘাটতি বিশ্বকাপের আগে নতুন করে চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে সেলেসাও শিবিরে।

ক্লিভল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ছিল বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিলের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ এবং জাতীয় দলের দায়িত্বে আনচেলত্তির ১২তম ম্যাচ। জয় পেলেও পুরো ম্যাচজুড়ে দলের খেলায় বেশ কিছু দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

সবচেয়ে বেশি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে রক্ষণভাগ। ম্যাচটিতে গোল হজমের মাধ্যমে টানা পঞ্চম ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়াতে দেয় ব্রাজিল। মারকিনিওসের একটি ভুল থেকে গোল এলেও ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, সমস্যার মূল কারণ রক্ষণভাগে সমন্বয়ের অভাব এবং নতুন কাঠামোর সঙ্গে খেলোয়াড়দের পুরোপুরি মানিয়ে নিতে না পারা।

মিসরের আক্রমণভাগের চাপে বেশ কয়েকবার বিপাকে পড়ে ব্রাজিলের ডিফেন্স। ওয়ান-অন-ওয়ান পরিস্থিতিতে ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারদের দুর্বলতাও চোখে পড়ে। প্রথমার্ধে দলটি ছন্দহীন ফুটবল খেললেও দ্বিতীয়ার্ধে বদলি খেলোয়াড়দের আগমনে কিছুটা গতি ফিরে আসে।

আক্রমণভাগেও প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা যায়নি। বলের প্রবাহে অসংগতি এবং সুযোগ তৈরিতে ধীরগতির কারণে একাধিকবার আক্রমণ ভেস্তে যায়। ফলে গোলের সুযোগ তৈরি হলেও তা ধারাবাহিকভাবে কাজে লাগাতে পারেনি ব্রাজিল।

এখনো নিজের কাঙ্ক্ষিত একাদশ ও কৌশল পুরোপুরি নির্ধারণ করতে পারেননি আনচেলত্তি। ৪-৪-২ ফরমেশনে দল সাজানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচভেদে কৌশল পরিবর্তনের ইঙ্গিতও মিলছে। বিশেষ করে স্ট্রাইকার পজিশনে স্থায়ী সমাধান না পাওয়ায় আক্রমণভাগ নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে।

মিডফিল্ডে কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারেস ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র দলের ভরসা হলেও সামনের সারিতে রাফিনিয়া ও এনদ্রিকের মতো তরুণদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে ব্রাজিলকে।

এর মধ্যে ডিফেন্ডার ওয়েসলির চোট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তার অনুপস্থিতিতে রক্ষণভাগ ও ফুলব্যাক পজিশনের জন্য বিকল্প পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে কোচিং স্টাফকে।

বিশ্লেষকদের মতে, ব্যক্তিগত প্রতিভার দিক থেকে ব্রাজিলের স্কোয়াড শক্তিশালী হলেও দলগত সমন্বয় ও রক্ষণভাগের স্থিতিশীলতা এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে সফল হতে হলে এই দুর্বলতাগুলো দ্রুত কাটিয়ে উঠতে হবে আনচেলত্তির দলকে।

kalprakash.com/SAS

সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিলের প্রস্তুতুতি নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন
জনপ্রিয় সংবাদ

নিজ জেলায় মহানগর পুলিশে আর দায়িত্ব নয়, শতাধিক সদস্যের বদলির সিদ্ধান্ত

বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিলের প্রস্তুতুতি নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন

প্রকাশিত: ১১:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

মিসরের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে জয় পেয়েছে ব্রাজিল। তবে ফলাফল ইতিবাচক হলেও দলের পারফরম্যান্স নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। মাঠের ভেতরে সমন্বয়ের অভাব, রক্ষণভাগের দুর্বলতা এবং আক্রমণে ধারাবাহিকতার ঘাটতি বিশ্বকাপের আগে নতুন করে চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে সেলেসাও শিবিরে।

ক্লিভল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ছিল বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিলের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ এবং জাতীয় দলের দায়িত্বে আনচেলত্তির ১২তম ম্যাচ। জয় পেলেও পুরো ম্যাচজুড়ে দলের খেলায় বেশ কিছু দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

সবচেয়ে বেশি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে রক্ষণভাগ। ম্যাচটিতে গোল হজমের মাধ্যমে টানা পঞ্চম ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়াতে দেয় ব্রাজিল। মারকিনিওসের একটি ভুল থেকে গোল এলেও ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, সমস্যার মূল কারণ রক্ষণভাগে সমন্বয়ের অভাব এবং নতুন কাঠামোর সঙ্গে খেলোয়াড়দের পুরোপুরি মানিয়ে নিতে না পারা।

মিসরের আক্রমণভাগের চাপে বেশ কয়েকবার বিপাকে পড়ে ব্রাজিলের ডিফেন্স। ওয়ান-অন-ওয়ান পরিস্থিতিতে ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারদের দুর্বলতাও চোখে পড়ে। প্রথমার্ধে দলটি ছন্দহীন ফুটবল খেললেও দ্বিতীয়ার্ধে বদলি খেলোয়াড়দের আগমনে কিছুটা গতি ফিরে আসে।

আক্রমণভাগেও প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা যায়নি। বলের প্রবাহে অসংগতি এবং সুযোগ তৈরিতে ধীরগতির কারণে একাধিকবার আক্রমণ ভেস্তে যায়। ফলে গোলের সুযোগ তৈরি হলেও তা ধারাবাহিকভাবে কাজে লাগাতে পারেনি ব্রাজিল।

এখনো নিজের কাঙ্ক্ষিত একাদশ ও কৌশল পুরোপুরি নির্ধারণ করতে পারেননি আনচেলত্তি। ৪-৪-২ ফরমেশনে দল সাজানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচভেদে কৌশল পরিবর্তনের ইঙ্গিতও মিলছে। বিশেষ করে স্ট্রাইকার পজিশনে স্থায়ী সমাধান না পাওয়ায় আক্রমণভাগ নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে।

মিডফিল্ডে কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারেস ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র দলের ভরসা হলেও সামনের সারিতে রাফিনিয়া ও এনদ্রিকের মতো তরুণদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে ব্রাজিলকে।

এর মধ্যে ডিফেন্ডার ওয়েসলির চোট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। তার অনুপস্থিতিতে রক্ষণভাগ ও ফুলব্যাক পজিশনের জন্য বিকল্প পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে কোচিং স্টাফকে।

বিশ্লেষকদের মতে, ব্যক্তিগত প্রতিভার দিক থেকে ব্রাজিলের স্কোয়াড শক্তিশালী হলেও দলগত সমন্বয় ও রক্ষণভাগের স্থিতিশীলতা এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে সফল হতে হলে এই দুর্বলতাগুলো দ্রুত কাটিয়ে উঠতে হবে আনচেলত্তির দলকে।

kalprakash.com/SAS

সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিলের প্রস্তুতুতি নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন