বাংলাদেশ ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন উত্তেজনা, ফুজাইরাহ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ দাবি ইরানের

  • কাল প্রকাশ
  • প্রকাশিত: ০২:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • 22

সংগৃহীত ছবি

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। ইরান ‘পারস্য উপসাগর প্রণালি কর্তৃপক্ষ’ নামে নতুন একটি সংস্থা গঠন করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরের দক্ষিণ পর্যন্ত পানিসীমাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।

ইরানের নতুন এই কর্তৃপক্ষ জানায়, হরমুজ প্রণালি পরিচালনা ও তদারকির জন্য একটি নির্দিষ্ট আইনি এলাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই অঞ্চল ইরানের কুহ-ই মুবারক থেকে শুরু হয়ে আমিরাতের ফুজাইরাহর দক্ষিণ পর্যন্ত বিস্তৃত। পাশাপাশি কেশম দ্বীপ থেকে উম্ম আল-কুওয়াইন পর্যন্ত জলসীমাও এর আওতায় পড়বে বলে দাবি করা হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, হরমুজ অতিক্রমের উদ্দেশ্যে এই জলসীমা ব্যবহার করতে হলে তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে বাধ্যতামূলক অনুমতি নিতে হবে।

ফুজাইরাহ বন্দর ওমান উপসাগরের তীরে অবস্থিত এবং এটি হরমুজ প্রণালির বাইরে হওয়ায় আমিরাত দীর্ঘদিন ধরেই এই বন্দর ব্যবহার করে তেল রপ্তানি করে আসছে। সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যেই আমিরাত নতুন একটি পাইপলাইন নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যাতে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমানো যায়।

আবুধাবি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, ‘ওয়েস্ট-ইস্ট’ নামের নতুন পাইপলাইন প্রকল্প চালু হলে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আডনকের রপ্তানি সক্ষমতা দ্বিগুণ হবে। আগামী বছর এটি পূর্ণমাত্রায় চালু হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই ঘোষণা উপসাগরীয় অঞ্চলে কৌশলগত প্রতিযোগিতা আরও বাড়াতে পারে। কারণ হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হিসেবে বিবেচিত হয়।

kalprakash.com/SS
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন উত্তেজনা, ফুজাইরাহ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ দাবি ইরানের

প্রকাশিত: ০২:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। ইরান ‘পারস্য উপসাগর প্রণালি কর্তৃপক্ষ’ নামে নতুন একটি সংস্থা গঠন করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরের দক্ষিণ পর্যন্ত পানিসীমাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।

ইরানের নতুন এই কর্তৃপক্ষ জানায়, হরমুজ প্রণালি পরিচালনা ও তদারকির জন্য একটি নির্দিষ্ট আইনি এলাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই অঞ্চল ইরানের কুহ-ই মুবারক থেকে শুরু হয়ে আমিরাতের ফুজাইরাহর দক্ষিণ পর্যন্ত বিস্তৃত। পাশাপাশি কেশম দ্বীপ থেকে উম্ম আল-কুওয়াইন পর্যন্ত জলসীমাও এর আওতায় পড়বে বলে দাবি করা হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, হরমুজ অতিক্রমের উদ্দেশ্যে এই জলসীমা ব্যবহার করতে হলে তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে বাধ্যতামূলক অনুমতি নিতে হবে।

ফুজাইরাহ বন্দর ওমান উপসাগরের তীরে অবস্থিত এবং এটি হরমুজ প্রণালির বাইরে হওয়ায় আমিরাত দীর্ঘদিন ধরেই এই বন্দর ব্যবহার করে তেল রপ্তানি করে আসছে। সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যেই আমিরাত নতুন একটি পাইপলাইন নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যাতে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমানো যায়।

আবুধাবি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, ‘ওয়েস্ট-ইস্ট’ নামের নতুন পাইপলাইন প্রকল্প চালু হলে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আডনকের রপ্তানি সক্ষমতা দ্বিগুণ হবে। আগামী বছর এটি পূর্ণমাত্রায় চালু হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই ঘোষণা উপসাগরীয় অঞ্চলে কৌশলগত প্রতিযোগিতা আরও বাড়াতে পারে। কারণ হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হিসেবে বিবেচিত হয়।

kalprakash.com/SS