বাংলাদেশ ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

মুরাদনগরে নজর কাড়ছে ‘কালাবাহাদুর’, ঈদ বাজারে আলোচনায় বিশাল ষাঁড়

  • কাল প্রকাশ
  • প্রকাশিত: ১২:০৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • 25

সংগৃহীত ছবি

আসন্ন কোরবানি ঈদকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বড় গরুর আলোচনার মধ্যেই কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার রায়তলা গ্রামে নজর কেড়েছে এক বিশাল কালো ষাঁড়—‘কালাবাহাদুর’।

প্রায় আড়াই বছর বয়সী এই ষাঁড়টির ওজন আনুমানিক ৯ মণ। উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট এবং দৈর্ঘ্য ৬ থেকে ৭ ফুট হওয়ায় স্থানীয়দের কাছে এটি এখন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই আশপাশের এলাকা থেকে মানুষ ভিড় করছেন একনজর কালাবাহাদুরকে দেখতে।

গরুটির মালিক মাওলানা নাছির উল্লাহ জানান, প্রায় এক বছর ধরে তিনি অত্যন্ত যত্ন ও ভালোবাসায় গরুটিকে লালন-পালন করছেন। এর আগে স্থানীয় এক ব্যক্তি শখের বসে গরুটি পালন করলেও পরে এটি তার কাছে আসে এবং তিনি এটিকে পরিবারের সদস্যের মতো করে বড় করেন।

তিনি আরও জানান, গরুটিকে কোনো ধরনের ইনজেকশন বা কৃত্রিম মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়নি। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার হিসেবে প্রতিদিন প্রায় তিন কেজি ভুসি, খড়, তাজা ঘাস এবং মাঝে মাঝে কলাসহ বিভিন্ন ফল খাওয়ানো হয়।

মালিকের ভাষায়, গরুটিকে কখনো শুধু পশু হিসেবে দেখেননি, বরং পরিবারের অংশ হিসেবেই লালন করেছেন।

শান্ত স্বভাবের এই ষাঁড়টি মালিককে দেখলেই একেবারে শান্ত হয়ে যায় বলে জানান স্থানীয়রা। নিয়মিত গোসল ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রাখার কারণে এটি দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি স্বভাবেও নম্র।

ইতিমধ্যে বাজারে কালাবাহাদুরের দাম প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত উঠেছে বলে জানা গেছে। তবে আবেগ ও ভালোবাসার কারণে বিক্রির বিষয়ে মালিকের মধ্যে কিছুটা দ্বিধা রয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, কালাবাহাদুর এখন শুধু একটি গরু নয়, বরং প্রাকৃতিক পরিচর্যা ও যত্নের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগরে নজর কাড়ছে ‘কালাবাহাদুর’, ঈদ বাজারে আলোচনায় বিশাল ষাঁড়

প্রকাশিত: ১২:০৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

আসন্ন কোরবানি ঈদকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বড় গরুর আলোচনার মধ্যেই কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার রায়তলা গ্রামে নজর কেড়েছে এক বিশাল কালো ষাঁড়—‘কালাবাহাদুর’।

প্রায় আড়াই বছর বয়সী এই ষাঁড়টির ওজন আনুমানিক ৯ মণ। উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট এবং দৈর্ঘ্য ৬ থেকে ৭ ফুট হওয়ায় স্থানীয়দের কাছে এটি এখন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই আশপাশের এলাকা থেকে মানুষ ভিড় করছেন একনজর কালাবাহাদুরকে দেখতে।

গরুটির মালিক মাওলানা নাছির উল্লাহ জানান, প্রায় এক বছর ধরে তিনি অত্যন্ত যত্ন ও ভালোবাসায় গরুটিকে লালন-পালন করছেন। এর আগে স্থানীয় এক ব্যক্তি শখের বসে গরুটি পালন করলেও পরে এটি তার কাছে আসে এবং তিনি এটিকে পরিবারের সদস্যের মতো করে বড় করেন।

তিনি আরও জানান, গরুটিকে কোনো ধরনের ইনজেকশন বা কৃত্রিম মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়নি। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার হিসেবে প্রতিদিন প্রায় তিন কেজি ভুসি, খড়, তাজা ঘাস এবং মাঝে মাঝে কলাসহ বিভিন্ন ফল খাওয়ানো হয়।

মালিকের ভাষায়, গরুটিকে কখনো শুধু পশু হিসেবে দেখেননি, বরং পরিবারের অংশ হিসেবেই লালন করেছেন।

শান্ত স্বভাবের এই ষাঁড়টি মালিককে দেখলেই একেবারে শান্ত হয়ে যায় বলে জানান স্থানীয়রা। নিয়মিত গোসল ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রাখার কারণে এটি দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি স্বভাবেও নম্র।

ইতিমধ্যে বাজারে কালাবাহাদুরের দাম প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত উঠেছে বলে জানা গেছে। তবে আবেগ ও ভালোবাসার কারণে বিক্রির বিষয়ে মালিকের মধ্যে কিছুটা দ্বিধা রয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, কালাবাহাদুর এখন শুধু একটি গরু নয়, বরং প্রাকৃতিক পরিচর্যা ও যত্নের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

kalprakash.com/SS