পাবনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও পাবনা-৫ আসনের পরাজিত প্রার্থী প্রিন্সিপাল মাওলানা ইকবাল হোসাইনকে হাসপাতালে দেখতে গেছেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পাবনা শহরের এসোর্ট স্পেশালাইজড হাসপাতালে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ইকবাল হোসাইনের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। এ সময় হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, গত ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রিন্সিপাল মাওলানা ইকবাল হোসাইন। পরে তাকে পাবনা শহরের মোজাহিদ ক্লাব সংলগ্ন এসোর্ট স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার নিউমোনিয়া শনাক্ত হয়। বিষয়টি জানার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা তাকে দেখতে হাসপাতালে যান।
নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা থেকে পাবনায় ফেরেন এমপি শিমুল বিশ্বাস। পরে তিনি সরাসরি হাসপাতালে গিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত সবাই ইকবাল হোসাইনের দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ খান মন্টু, যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল হক বাবু, নূর মোহাম্মদ মাসুম বগা, সাবেক দপ্তর সম্পাদক জহুরুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
ইকবাল হোসাইন বলেন, নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবেই। তবে সকলের লক্ষ্য হওয়া উচিত চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত পাবনা গড়ে তোলা। অসুস্থতার সময়ে খোঁজ নেওয়ায় তিনি এমপি শিমুল বিশ্বাসকে ধন্যবাদ জানান।
এ বিষয়ে এমপি শিমুল বিশ্বাস বলেন, “আমরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি, একজন জয়ী হয়েছি, একজন পরাজিত হয়েছেন—এটি বড় বিষয় নয়। আমরা সবাই পাবনার মানুষ। এখানকার মাটি ও মানুষের সঙ্গেই আমাদের রাজনীতি। সৌহার্দ্যপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাই।”
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৫ (পাবনা সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হন শিমুল বিশ্বাস। তিনি ১ লাখ ৮১ হাজার ১৬৯ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইকবাল হোসাইন পান ১ লাখ ৬৩ হাজার ১৮৬ ভোট।
মেহেদী হাসান রিয়াদ 











